What Islam is all about?

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ রাত ১১:৫৬ আমরা যারা বিশ্বাসী ও প্র্যাক্টিসিং মুসলিম, আমাদের যদি কোন ভিনধর্মী বা অবিশ্বাসী জিজ্ঞেস করেন: What Islam is all about? আমরা অনেকেই হয়তো মুশকিলে পড়ে যাবো! আমরা কি গুছিয়ে একটা academic উত্তর দিতে পারবো? আমার তো মনে হয় না। আসুন, দেখি একজন বিধর্মী কি ভাবে এরকম একটা প্রশ্নটার যা উত্তর হওয়া উচিত তা উপস্থ্পন করেন - কোন apologetic ছাড়া! [youtube https://www.youtube.com/watch?v=fpQxg68N5D8]continue reading →

কুর’আন কিভাবে পড়বো ও বুঝবো

[মূল: Jamaal al-Din M. Zarabozo-র লেখা How to Approach and Understand the Quran] পর্ব-১ [সুচনা] সুচিপত্রের পরেই পর্ব-২ [প্রেহ্মাপট] পর্ব-৩[এই সিরিজের আলোচ্য বিষয়াবলী] পর্ব-৪ [কুর’আনের বৈশিষ্ট্য এবং এর প্রতি আমাদের কর্তব্য] পর্ব-৫ [ আল্লাহ্ কুর’আন সম্বন্ধে কি বলেন] পর্ব-৬[আল্লাহ্ কুর’আন সম্বন্ধে কি বলেন] পর্ব-৭ [কুর’আন সম্বন্ধে রাসূলুল্লাহর (সা.) বক্তব্য] পর্ব-৮ [যারা কুর’আন জানতেন এবং কুর’আনকে জীবনে ধারণ করেছিলেন, কুর’আন সম্বন্ধে তাঁদের বক্তব্য] পর্ব-৯ [কুর’আনের প্রতি একজন মুসলিমের দায়দায়িত্ব] পর্ব-১০[কুর’আনিক প্রজন্ম : সঠিকভাবে কুর’আনের নিকটবর্তী হবার এবং সঠিকভাবে কুর’আন বোঝার ফলাফল] পর্ব-১১ [রাসূলের (সা.) আগমনের পূর্বের আরবগণ] পর্ব-১২ [রাসূল (সা.) কি উৎসমূল ছিলেন?] পর্ব-১৩ [বর্তমান সময়ে পবিত্র কুর’আনের একই ধরনের প্রভাব নেই কেন?] পর্ব-১৪ [আল্লাহর জন্য বিশ্বস্তভাবে পবিত্র কুর’আনকে অনুসরণ করার চিরস্থায়ী ফলাফল] পর্ব-১৫ [ বর্তমান বিশ্বে অধিকাংশ মুসলিম কি দৃষ্টিতে কুর’আনকে দেখে থাকেন] পর্ব-১৬ [কুর’আন তিলাওয়াত না করা] পর্ব-১৭[কেবল বরকতের জন্য কুর’আন তিলাওয়াত করা বা কাছে রাখা] পর্ব-১৮[কুর’আনকে কেবলি শিফা হিসাবে অথবা শারীরিক অসুখ সারাতে ব্যবহার করা] পর্ব-১৯[‘বৈজ্ঞানিক বিস্ময়’ সনাক্ত করার জন্য কুর’আন পড়া]

কুর'আন কিভাবে পড়বো ও বুঝবো - ১

পবিত্র কুর’আন, দ্বীন ইসলামে এবং ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় যে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে, পৃথিবীর আর কোন একটি ধর্মের বেলায়, সেই ধর্মের ধর্মগ্রন্থকে এ ধরনের ভূমিকা পালন করতে দেখা যায় না। মুসলিম জীবনে কুর’আনের ভূমিকা কি তা অনুভব করার ব্যাপারটাও হয়তো বা সবার জন্য উন্মুক্ত নয় - অনেকে যেমন মনে করেন যে, কুর’আনের পথনির্দেশনা এবং নিরঙ্কুশ জ্ঞানের ভান্ডারও সবার জন্য উন্মুক্ত নয়, কেবল বিশ্বস্ত বিশ্বাসী বা সম্ভাব্য হেদায়েত লাভের যোগ্যতা সম্পন্ন সৌভাগ্যবানদের জন্যই তা উন্মুক্ত হয়ে থাকে। তেমনি এই ব্যাপারটাও - অর্থাৎ, কুর’আনের ভূমিকার গুরুত্ব বোঝার ব্যাপারটাও - সম্ভবত কেবল নির্বাচিত ও বিশিষ্টদের জন্য নির্ধারিত। ইহুদী বা খৃস্টধর্মাবলম্বী কুফফার ওরিয়েন্টালিস্টগণ - খৃস্টধর্মের উপর যাদের রয়েছে বিস্তর পড়াশোনা - তারা তাদের নিজেদের মত করে ব্যাপারটাকে কিছুটা আঁচ করার চেষ্টা করেছেন। তারা বলেছেন যে, খৃস্টধর্মের বেলায় যীশুর যে গুরুত্ব - ইসলামের বেলায় কুর’আন সেই ধরনের গুরুত্বের অধিকারী। ‘যীশুকে অবতার ভাবার’ মত কুফরে নিমজ্জিত থেকেও, তারা একধরনের ব্যাখ্যা দান করার চেষ্টা করেছেন। তারা বলেছেন যে, যীশু হচ্ছেন ঈশ্বরের Word made flesh, আর কুর’আন হচ্ছে ঈশ্বরের Word made book। খৃস্টানদের এই বক্তব্যে, কুর’আন যে আল্লাহর বাণী এই ধারণার একটা vague স্বীকৃতি রয়েছে বলে, আমাদের অনেকেই ভুলে যাই যে, উপরোক্ত বক্তব্যের প্রথমার্ধে একটা সূক্ষ্ম অথচ ভয়ঙ্কর ‘কুফরি’ রয়েছে এবং আমরা মুসলিমরাও নিজেদের অজান্তেই ঐ কুফরির ফাঁদে পা দিই। কুর’আন আল্লাহর বাণী বলে তা আল্লাহর সিফাতের একটা অংশ এবং সেহেতু divine বা ঐশ্বরিক - অর্থাৎ সৃষ্ট বস্তু নয় ; যীশুও যদি আল্লাহর বাণীর ‘রক্ত-মাংসে রূপান্তরিত অবস্থা’ বা Word made flesh হয়ে থাকেন, তবে তো তিনিও divine বা ঐশ্বরিক এবং সৃষ্ট কোন প্রাণী নন! এখানেই নিহিত রয়েছে এমন ধারণা যা ইসলামের দৃষ্টিতে নির্ভেজাল ‘কুফরি’। (more…)

আল্লাহ্ তা’আলা সম্পর্কে অজ্ঞতাবশত কথা বলা

মূল: জামাল আল দীন জারাবোজো [এই লেখাটি কেবলমাত্র বিশ্বাসী মুসলিমদের জন্য] মুসলিম স্পেনের বিখ্যাত স্কলার ও তফসীরকার আল কুরতুবী, তাঁর তাফসীরে, যেসব লোক কুরআন পড়তে গিয়ে বলে ‘আমার মনে হয়’, ‘আমার মন বলে’ অথবা ‘আমার মতে’ সে সব লোক সম্পর্কে বলেন যে, তারা আসলে আল্লাহ সম্পর্কে না জেনে কথা বলে এবং এটা একটা অন্যতম বড় অপরাধ। এবং এরা প্রকৃতপক্ষে যিনদিক এবং [তাদের অপরাধের গুরুত্ব বোঝাতে] তিনি বলেন যে, এদের মুরতাদ হিসেবে হত্যা করা উচিত। যখন কেউ কুরআনের আয়াত আবৃত্তি করে এবং যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ না করে এবং যথাযথ জ্ঞান ব্যতীত ঐ আয়াতের ব্যাখ্যা করে, সে হয়তো তার নিজের ‘হাওয়া’র অনুসরণ করে (হঠাৎ একটা কিছু মনে হল, ভাল মন্দ বিচার না করেই সেটার অনুসরণ করা), অথবা নিজের বাসনার বশবর্তী হয়, অথবা সে হয়তো শয়তানের দ্বারা পরিচালিত হয়, নয়তো সে নিজের অনুমানের উপর নির্ভর করে; যেটার (অনুমানের ভিত্তিতে কথা বলা) সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা কুরআনে বহুবার উল্লেখ করেছেন, অথবা তার মনে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার পক্ষ থেকে ইলহাম হতে পারে, কিন্তু এই শেষোক্ত সম্ভাবনাটি অত্যন্ত ক্ষীণ। কেন? কেননা এক্ষেত্রে কুরআনের ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে সঠিক পদ্ধতির অনুসরণ করা হয়নি, এবং যেহেতু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিটি তাফসীরের যথার্থ পদ্ধতি অবলম্বন না করেই তাফসীর করেছে, অতএব সে ইতিমধ্যেই একটি অপরাধ করে ফেলেছে। যথার্থ জ্ঞান ব্যতীত কুরআন সম্পর্কে কথা বলে এবং সঠিক জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং যোগ্যতা ছাড়াই এর ব্যাখ্যা দান করে, সে ইতিমধ্যেই একটি বড় অপরাধ করেছে, তাই এর সম্ভাবনা খুবই কম যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা একটা ‘অপরাধের’ মধ্য দিয়ে তাকে অনুগ্রহ করবেন ও কুরআনের সঠিক ব্যাখ্যা তাকে শিক্ষাদান করবেন। যখন কেউ বলে যে, অমুক আয়াতে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা এটা বোঝাতে চেয়েছেন কিংবা ওটা বলতে চেয়েছেন, তখন সে প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলার পক্ষে কথা বলছে এবং সে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা সম্পর্কে বলছে, আর তাই সেটা যদি সে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ব্যতীত করে, তাহলে সে অত্যন্ত গর্হিত একটি কাজ করছে। (more…)

যে কোন মুরুব্বী বা বুজূর্গের আনুগত্য “শর্ত সাপেক্ষ” বা conditional

বেশ আগে হাঙ্গেরীয় বংশোদ্ভূত একজন ইহুদী সাংবাদিকের লেখা একটা বই পড়েছিলাম। বইটির নাম: A heart turned East । ঐ সাংবাদিক, Adam Lebor যখন যুদ্ধরত বসনিয়ায় কর্মরত ছিলেন, সেই অবস্থায় মুসলিমদের সম্বন্ধে তার মনে খুব আগ্রহ জন্মে। তারই সূত্র ধরে মুসলিমদের সাধুবাদ জানিয়ে তার ঐ বই লেখা। তিনি মুসলিমদের যে সমস্ত ব্যাপারে খুব impressed হয়েছিলেন তার একটি ছিল – তারা যে ভাবে জামাতবদ্ধভাবে একত্রে আল্লাহর সামনে হাটু গেড়ে বসে ও সিজদায় যায় (অর্থাৎ আমাদের সালাত, তাকে খুব অবাক ও impressed করেছিল) ! এর বহুদিন পরে আমি চিন্তা করেছিলাম যে, আল্লাহর আদেশে মুসলিমরা তাদের ইমামের কি সাংঘাতিক রকমের আনুগত্য করে!! বাইরে থেকে যদি, মুসলিম নয় এমন একজন লোক ১০, ১৫ বা ২০ লক্ষ লোকের একটা জামাত দেখে – যেমনটা মক্কার মসজিদুল হারামে হজ্জ বা তারাবীর সময় দেখা যায় – তবে তার অবাক হবারই কথা। একজন মানুষের command-এ কিভাবে এতগুলো লোক রুকুতে বা সিজদায় যাচ্ছে – বুঝিবা তাদের নিজস্ব কোন সত্ত্বাই নেই! কিন্তু এই আনুগত্য কি unconditional বা নিঃশর্ত ? মোটেই নয়! ধরুন কোন ইমাম যদি ক্বিরাত পড়তে গিয়ে সূরা ফাতিহার (more…)

ইসলামী জ্ঞান অর্জনে আগ্রহীদের জ্ঞাতব্য

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আস সালামু ‘আলাইকুম! [এই পোস্টটি কেবল বিশ্বাসী মুসলিমদের কিছু কথা মনে করিয়ে দিতে লেখা] আমরা অনেকেই ব্লগে নিজেদের আগমন ও অংশগ্রহণের কারণ বণর্না করতে গিয়ে বলে থাকি যে, জ্ঞান অর্জন হচ্ছে আমাদের এখানে আসার একটা মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু আসলেই কি তাই? আমরা অনেক সময় এমনও বলে থাকি যে, আমরা ইসলাম সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করতেই মূলত ইন্টারনেটে বিচরণ করি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করি অথবা ব্লগিং করি। আসুন জ্ঞান অর্জন সংক্রান্ত কিছু করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়ের আলোকে, আমরা নিজেদের জ্ঞান অর্জনের ব্যাপারটা একটু পরখ করে দেখি:
(more…)

দলে দলে বিভক্ত হওয়া ও বাইয়াতের concept

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আস সালামু 'আলাইকুম! এই ব্লগে ইসলামের শুদ্ধ-জ্ঞানভিত্তিক লেখা যারা লিখে থাকেন - তাদের মাঝে "উমর' নিকধারী ভাইটি অন্যতম। তিনি যখন দলীয় রাজনীতি বা বাইয়াত নিয়ে লিখলেন, তখন দেখা গেল অনেকেই অপছন্দ করছেন। একইভাবে "মনপবন" নিকধারী গতকাল তার তথাকথিত প্রবচনে (১৬তম পর্বে) যখন দল বা দলীয় দৃষ্টিভঙ্গীর বিরুদ্ধে বললেন, আমি দেখলাম খুব অল্প সময়ের মাঝেই তিনি প্রথম "মাইনাস"টি অর্জন করলেন। "ইসলামের সত্যা-সত্য সম্বন্ধে জানতে চাই" - এমন কথা উচ্চারণ করলেও, দলের মোহ কাটাতে না পারা ব্লগাররা অনেক ক্ষেত্রেই "বিচার মানি কিন্তু তালগাছটা আমার" এমন মনোভাব পোষণ করে থাকেন! আগেও অনেকবার পড়েছি এবং শুনেছি - তবু, গতকাল মদীনা থেকে PhD করা এদেশের জন্য দুর্লভ একজন স্কলারের কাছে দ্বীন-শিক্ষার এক পর্যায়ে আবার যখন শুনলাম যে, মুসলিমদের দলে দলে বা ফিরক্বায় ফিরক্বায় বিভক্ত হওয়া চলবে না - কোন দলের দিকে আহ্বান করা যাবে না - দাওয়াত দিতে হবে কেবল আল্লাহর দিকে - ক্বুরআনের ভাষায়, "ইলাল্লাহ্"! তখন নতুন করে ব্যাপারটা চিত্তে আবার সজীব হয়ে উঠলো। আজ অন্য একটা ব্লগে আমার একটা পুরাতন লেখা খুঁজে বের করে ভাবলাম আপনাদের সাথে শেয়ার করি - আবারো, সবাইকে এবং নিজেকে মনে করাতে যে, ইসলামের সঠিক রূপ কেবল একটিই (more…)

মুসলিম উম্মাহর বৈশিষ্ট্য

মুসলিম উম্মাহর বৈশিষ্ট্য - ১ السلام عليكم ورحمة الله و بركاته মুসলিম উম্মাহর বৈশিষ্ট্য মূল:ড: আবু আমিনাহ বিলাল ফিলিপস সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে শান্তি ও কল্যাণ বর্ষিত হোক তাঁর সর্বশেষ নবী মুহাম্মাদ (সা.)- এঁর ওপর ও সেই সকল লোকদের ওপর যারা কিয়ামত পর্যন্ত সত্যের পথ অনুসরণ করে। এই মুসলিম উম্মাহর অনেকগুলো বৈশিষ্ট্য আছে। এর মধ্যে পবিত্র কুরআনের আলোকে মূলত চারটি বৈশিষ্ট্য আমরা দেখব, যে বৈশিষ্ট্যগুলোর কথা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা উল্লেখ করেছেন এই হিসেবে যে, তা সবসময় এই উম্মাহর থাকা উচিত বা ছিল বা থাকবে। আমরা দেখব এসব বৈশিষ্ট্য এই উম্মাহ কতটুকু ধরে রেখেছে এবং যদি এগুলো না থেকে থাকে তবে কিভাবে সেগুলো পুনরায় অর্জন করা যায়। (more…)

Our Inverted Priorities

Our Inverted Priorities-1 By the grace of Allah,I try to offer all my Fard Salaat [or namaz] in congregation, in a mosque. I do not deny that, sometimes I wish that, if I had the liberty to skip going to the mosque, may be I would have taken that opportunity. But I am convinced that, it is a great obligation on all Muslim males – and the obligation ranges between Wajib and Fard. Stricter scholars of Islam hold that, the difference between Wajib and Fard is only of a linguistic nature. However, my usual day to day feeling about the affairs in the mosque is very sad. During the Fajr, the strength of the congregation is about one and a half row, while during Maghrib, it is about 4 rows. The local mosque I go to, may accommodate at least about 15 rows in the ground floor, I believe, and about the same numbers in the 1st floor. (more…)

তাফসীর রচনাপদ্ধতি

السلام عليكم ورحمة الله و بركاته মূল: ইবনে তাইমিয়্যাহ যদি প্রশ্ন করা হয় তাফসীর রচনার সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা কোনটি, তাহলে বলা যায় কুরআন দ্বারা (এক অংশ দ্বারা) কুরআনকে (অন্য অংশের) ব্যাখ্যা করা। কারণ কুরআনে একস্থানে যা পরোক্ষভাবে উল্লেখিত হয়, অন্য স্থানে হয়ত তার ব্যাখ্যা পাওয়া যায় এবং এক স্থানে যা সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করা হয় অন্য স্থানে তার বিস্তারিত দিক নির্দেশনা পাওয়া যায়। কিন্তু কুরআনের অন্য অংশের দ্বারা সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা পাওয়া না গেলে, আমাদের উচিত সুন্নাহর অনুবর্তী হওয়া। কারণ, সুন্নাহ হচ্ছে কুরআনের ব্যাখ্যাস্বরূপ। ইমাম আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইদ্রিস আশ শাফিঈ বলেছেন: রাসূল (সা.) যা কিছুই বলেছেন তার সবটুকুই ছিল কুরআনভিত্তিক।” (more…)

ইসলামে আধুনিকতাবাদ

ইসলামে আধুনিকতাবাদ -১ আস সালামু আলাইকুম মূল: জামাল-আল-দীন জারাবযো আধুনিকতাবাদ কি এবং এর উৎপত্তি সমকালীন “আধুনিকতাবাদী আন্দোলন” [বা Modernist Movement’’] যে দশর্নের অনুসারী, সেই দর্শন আমাদের হিজরী ৩য় শতাব্দীর একটি গোষ্ঠীর কথা মনে করিয়ে দেয়। এই গোষ্ঠীর নাম: মু’তাযিলা। যদিও তারা কুর’আন ও সুন্নাহকে অস্বীকার করত না – কিন্তু তারা তাওইল করত – আল্লাহর রাসূল (সা.) ও তাঁর সাহাবারা যেভাবে কুর’আনরে ব্যাখ্যা দিয়েছেনে তা বাদ দিয়ে নিজের বিচার-বুদ্ধি অনুযায়ী কুরআ’নরে ব্যাখ্যা দিত (অর্থাৎ কুর’আনের মনগড়া ব্যাখ্যা দিত) । তারা না’কল (text বা রাসূল (সা.)-এঁর দিক-নির্দেশনা ) অপেক্ষা আক্বল(reason – নিজ বুদ্ধমিত্তা)-এর প্রাধান্য দিত। কালের পরিক্রমায় এই গোষ্ঠীর বিলুপ্তি ঘটেছে। (more…)

ব্যক্তি বন্দনার সীমারেখা

ইন্নাল হামদা লিল্লাহ্! ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু ‘আলা রাসূলিল্লাহ্!! [লেখাটি বিশ্বাসী মুসলিম ভাইবোনদের জন্য লিখিত] অনেকেই মনে করেন, কোন প্রয়াত বা জীবিত স্কলারের বা ‘আলেমের কাজের বা লেখালেখির মাঝে ভুল ভ্রান্তি তুলে ধরা মানে “তার গীবত করা”! কিন্তু আসলেই কি তাই? না তা নয়! বরং ঐ স্কলারের লেখা থেকে মানুষ যাতে পথভ্রষ্ট না হয়, সে জন্য পাঠককে সাবধান করাটা কখনো কখনো ওয়াজিব বা ফরজের পর্যায়ে পড়তে পারে ৷ গীবতের উপর ইমাম নববীর বিখ্যাত বইতে, কোন কোন ক্ষেত্রে কারো দোষ প্রকাশ করা যেতে পারে, সে সম্বন্ধে বলতে গিয়ে ৬টি পয়েন্ট উল্লেখ করেছেন, যার ৪ নম্বরে তিনি বলেছেন: (more…)

ইসলাম নিয়ে কথা বলা

السلام عليكم ورحمة الله و بركاته আমার আগের পোস্টগুলো অনেকের কাছে একটু ভারী মনে হতে পারে – কারণ ওগুলো ছিল ইসলামের একেবারে মৌলিক বিশ্বাস বিষয়ক আলোচনা – মনে হতে পারে অনেক তত্ত্ব কথা দিয়ে ভরা, গজ গজ খস খস করা সব শুকনো বিষয়। এমনটা কারো মনে হয়ে থাকলেও আমি আসলে কাউকে দোষ দিই না। কারণ আমরা প্রায় কেউই “দ্বীন” শিখি না। বাংলাদেশর মুসলিমদের কত % ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, সেই পরিসংখ্যান আমার জানা নেই। তবে ৫% হলেও সেটা খুব খুশির খবর। কেন নামাজ পড়বো, তা না জেনেই আমরা নামাজ পড়তে শিখি এবং পড়ি – নামাজে কি পড়ছি তা না জেনেই বা না বুঝেই, নামাজ পড়া এই ক্ষুদ্র অংশ নামাজ পড়তে পড়তে কবরে চলে যাই। ফলে আমার নামাজের আমার উপরই কোন প্রভাব থাকে না – পরিবেশ প্রতিবেশ ইত্যাদির উপর আর কি থাকবে? (more…)

Religion is Sincerity

Abu Ruqayya Tamim bin 'Aws ad-Dari relates that the Prophet (Peace and blessings be upon him) said: "Religion is Sincerity." We asked: "To whom, O Messenger of Allah?" He said: "To Allah, His Book, His Messenger, and the leaders of the Muslims and to the common Muslim." [Sahih Muslim]